Welcome to my blog

Information Communication Technology (ICT)

Online Books, Software, Books, ICT, Outsourcing, Games, Web Designing, Basic Computer, Photoshop, Illustrator, MS Office Tutorial

Information Communication Technology (ICT)

Online Books, Software, Books, ICT, Outsourcing, Games, Web Designing, Basic Computer, Photoshop, Illustrator, MS Office Tutorial

Information Communication Technology (ICT)

Online Books, Software, Books, ICT, Outsourcing, Games, Web Designing, Basic Computer, Photoshop, Illustrator, MS Office Tutorial

Information Communication Technology (ICT)

Online Books, Software, Books, ICT, Outsourcing, Games, Web Designing, Basic Computer, Photoshop, Illustrator, MS Office Tutorial

Information Communication Technology (ICT)

Online Books, Software, Books, ICT, Outsourcing, Games, Web Designing, Basic Computer, Photoshop, Illustrator, MS Office Tutorial

সোমবার, ৯ জুলাই, ২০১৮

বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ

বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধে নিউইয়র্কে প্রতিবাদ






বাংলাদেশে শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের ডাকে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে এক কর্মসূচিতে প্রতিবাদ জানিয়েছেন অনেকে। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রায় অর্ধশত মানুষ নানা ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে ডাইভার্সিটি প্লাজার সামনে দাঁড়ান। এ সময় অনেকে এই প্রতিবাদের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।
‘বাংলাদেশ ইন আমেরিকা’, ‘মুক্তি ফোরাম’ ও ‘ভয়েস ফর সিলিভ রাইটস ইন বাংলাদেশ’ নামের তিনটি সংগঠনের যৌথ আয়োজনে এ প্রতিবাদ সমাবেশে প্রবাসী অনেকেই যোগ দেন। তাঁদের হাতে বড় ব্যানারে স্লোগান ছিল—‘শিক্ষার্থীদের ওপর নিপীড়ন বন্ধ কর।’ এর বাইরে, রাষ্ট্রের দুর্বৃত্তায়ন বন্ধ করা আর মানবিক রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষা জানানো হয়েছে ওই প্রতিবাদ সমাবেশ থেকে।
ছড়াকার ও সাহিত্যিক শাহ আলম দুলাল র‍্যালিতে অংশ নিয়ে বলেন, ‘মানুষ প্রতিবাদ করার ভাষা হারিয়ে ফেলেছে। সরকারি অনাচারের বিরুদ্ধে কথা বললেই যেন যে-কেউ রাষ্ট্রদ্রোহী হয়ে যায়। এই ব্যবস্থার অবসান হওয়া দরকার, সেটা যেকোনো দলের সরকারই হোক।’
হাতে লিখে নিয়ে আসা একটি প্লাকার্ডে দেখা যায়—‘পাশের বন্ধু হঠকারী আচরণ করলে তাকে পরাস্ত করা যায়। পরিবার হঠকারী আচরণ করলে তাকে প্রবল ইচ্ছাশক্তি দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানো যায়, কিন্তু রাষ্ট্র যদি তার সন্তানদের সঙ্গে হঠকারী আচরণ করে, তখন রাস্তায় নেমে আসা ছাড়া বিকল্প থাকে না’।
প্ল্যাকার্ডধারী ওই তরুণের ভাষ্য, ‘ন্যায্য দাবি সরকারের পক্ষ থেকে বলপ্রয়োগ করে ঠেকানো হচ্ছে, যা আমাকে এত দূর থেকেও ব্যথিত করেছে।’
ষাটোর্ধ্ব এক অভিভাবক তাঁর নাতি-নাতনি নিয়ে এসেছিলেন প্রতিবাদ জানাতে। তিনি বলেন, ‘ছেলেগুলোর ওপর যে অত্যাচার করা হয়েছে, সেটা মেনে নেওয়া যায় না। হৃদয়ের তাড়না থেকেই তাই এসেছি।’
মাহবুবুল হক নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘যেভাবে নুরু আর তরিকুলকে মারা হয়েছে, সেটা দেখলে হৃদয় ভেঙে যায়। অথচ নিপীড়কদের বহাল তবিয়তে রেখেছে। এটা অসভ্যতার উদাহরণ। আমি ছাত্রদের পক্ষে কথা বলতে চাই।’ 

এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী ঠিক এমনই দাবি নিয়ে সমবেত হয়েছিলেন।

Source: Prothom Alo
Share:

WHAT IS OUR BODY MADE OF

WHAT IS OUR BODY MADE OF???????

SEE THE FULL VIDEO

Actually We rarely know what our body is made of!!!!!!!!




Share:

ফেসবুক স্পেশাল: Desperately Seeking Chittagong

১। "চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ "

 জনসার্থে।
"চট্টগ্রাম ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ "
আজকেও একজন রোগী নিয়ে গেলাম।
হাসপাতালটার সবকিছু এতটা ভাল হবে সেটা আশা করিনি। ২৪ঘন্টা সেবা, নার্স থেকে ডাক্তার সবাই অনেক ফ্রেন্ডলি। আর কারো টাকার সমস্যা থাকলে সেটা রিসিপশনে বা ডাক্তারকে বললে একদম কম টাকা ১০০-১৫০টাকায় দেখানো যায়। আর তাও দিতে অপারগ হলে তাও ডাক্তারকে বললে নেয়নাহ। এবং ওখানে স্টিকারো লাগানো আছে যেখানে লিখাই আছে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা দিতে নাপারলে নিঃসংকোচে ডাক্তারকে সরাসরি বলতে। লিখার সাথে কাজের মিল থাকবে সেটা আসা করিনি। তাদের সেবা পাওয়ার জন্য ও তেমন অপেক্ষা করতে হয়নি।
কিছুক্ষনের জন্য ভুলেই গিয়েছিলাম আসলেই কি বাংলাদেশের হাসপাতালে আছি নাকি অন্য দেশের।
আসলেই অনেক ভাল একটা হাসপাতাল।
এখন যেহেতু প্রাইভেট হাসপাতাল গুলো বন্ধ সেহেতু কম সময়ে ঝামেলাহীন ভাবে চিকিৎসা সেবা পাওয়ার জন্য এইখানে রোগীকে নিয়ে আসতে পারেন।



এই হাসপাতালের ঠিকানাঃ
শমসের পাড়া,চান্দগাও,চট্টগ্রাম।
শমসের পাড়াকে এখানে স্থানীয় ভাষায় "হংস পাড়া মেডিকেল " বলে এবং এই নামেই বেশিরভাগে চিনে।

আর এটা অক্সিজেন এবং আতুরার ডিপু এর মাঝা মাঝি এরিয়ায় অবস্থিত। আতুরার ডিপু থেকে ভিতর দিয়ে যেতে হয়। 


ধন্যবাদ সবাইকে।

Written by: Rohan Khan
Share:

কোটা বাতিল নয়, সংস্কারের প্রজ্ঞাপন চাইলো ছাত্র ইউনিয়ন

কোটা বাতিল নয়, সংস্কারের প্রজ্ঞাপন চাইলো ছাত্র ইউনিয়ন


কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর অব্যাহত হামলা, দমনপীড়নের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র ইউনিয়ন। একইসঙ্গে বামপন্থী এ ছাত্র সংগঠনটি কোটা বাতিল নয়, বরং সংস্কার করার প্রজ্ঞাপন  দাবি করেছে। 
বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিন থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ছাত্র ইউনিয়ন। এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডাকসু ভবনের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে মিলিত হয়। 

এ সময় ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, সাংগঠনিক সম্পাদক রমেন চক্রবর্তী টিপু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ফয়েজ উল্লাহ, ঢাকা মহানগর সংসদের সভাপতি দীপক শীল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সংসদের সভাপতি রুহুল আমিনসহ আরও অনেকে।

সমাবেশে ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী বলেন, সরকার চলমান কোটা পদ্ধতি সংস্কার না করে পুরোপুরি বাতিল করার মধ্য দিয়ে ষড়যন্ত্রের বীজ বোপন করেছে। একইসঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগকে লেলিয়ে দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চাইছে।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের নায্য অধিকারের দাবি, বাকস্বাধীনতা দমিয়ে রাখতে ধারাবাহিকভাবেই হামলা, নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগ। যা স্বৈরাচার এরশাদের পেটোয়া বাহিনী এনএসএফকেও হার মানিয়েছে। অবিলম্বে কোটা সংস্কারের মধ্য দিয়ে চলমান সংকটের আশু সমাধান দাবি করেন তিনি।
Share:

কোটা সংস্কার আন্দোলনে লাঞ্ছিত ছাত্রী

‘আমার সঙ্গে যা হয়েছে আমি ভাষায় বলতে পারবো না’



কোটা সংস্কার আন্দোলন কর্মসূচি চলাকালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছিলেন। হামলাকারীরা ওই দিন যে অশোভন আচরণ ও বাক্য ব্যবহার করেছিল তা আমি ভাষায় বলতে পারবো না। জানালেন তেজগাঁও কলেজের প্রথমবর্ষের ছাত্রী মরিয়ম মান্নান ফারাহ।
বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

গত ২ জুলাই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের সমাবেশে এসেছিলেন তেজগাঁও কলেজে স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মরিয়ম। ওই দিন তার ওপর হামলা করে কোটা আন্দোলন বিরোধীরা। ওই ছবি গণমাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়।

মরিয়ম সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উত্তেজিত হয়ে বলেন, আপনার জানতে চান ওই দিন তারা আমার কোথায় কোথায় হাত দিয়েছিল? কি বলে ছিল?আপনাদের শুনতে ইচ্ছে করতেছে, আমাকে কোথায় কোথায় ধরছে? আমাকে কীভাবে কী করছে? সবাই আমাকে ফোন দিচ্ছে, তোমাকে কী করছে! এখন আমি লাইভে যাব? লাইভে যেয়ে বলব, আমাকে কী করছে? কেমন করে ধরছে? আমি কান্না করব আর সবাই আমাকে সিম্প্যাথি (সহানুভূতি) দেখাবে?'
তিনি বলেন, 'সিম্প্যাথি দেখানোর মেয়ে আমি না। আমি একটি যৌক্তিক আন্দোলনে আসছি। একজন মানুষ হিসেবে আমার কিছু অধিকার আছে। এখানে আসার অধিকার আমার আছে।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনকারীদের ওপর বিরোধীদের হামলার সময় তিনি এগিয়ে যান মার খাওয়া মানুষগুলোকে বাঁচানোর জন্যে। উল্টো তিনি হন লাঞ্ছনার শিকার। কীভাবে তাকে অপমানিত করা হয়েছিল। জানান, কীভাবে প্রথমে তাকে লাঞ্ছিত করেছিল হামলাকারীরা, পরে পুলিশ সদস্যরা।
তিনি বলেন, ‘যখন দেখি ফারুক ভাইকে মারছে তখন আমি ভিড়ের মধ্যে চলে গিয়েছিলাম তাকে রক্ষা করার জন্য। যাওয়ার পর যে ঘটনাগুলো ঘটেছে তা ভিডিওচিত্রে আপনারা দেখছেন। তার পুরোটা ভাষায় বলা সম্ভব না।’

সেই পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে মরিয়ম বলেন, ‘ওরা (লাঞ্ছনাকারীরা) যখন বলেছিল থানায় নিয়ে চল, মনে হয়েছে যে থানায় নিয়ে গেলে আমি সেফ। কিন্তু, মনে হলো থানা আমার জন্য সেকেন্ড জাহান্নাম।’
মরিয়ম বলেন, ‘আমি সিএনজিতে উঠেছিলাম বাসায় যাওয়ার জন্য। সেই সিএনজিটা ঘিরে ধরেছিল অন্তত ২০০ মোটরসাইকেল। আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। তারা আমার ফোন-ব্যাগ নিয়ে যায়।’ আমি ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। (আমাকে) ধাক্কাচ্ছে।
লাঞ্চনার শিকার এই শিক্ষার্থী বলেন,  তারা সিএনজির ভেতরেও ঢুকছে। তারপরে কী করছে, এগুলোও বলবো? কীভাবে কীভাবে আমাকে টাচ করছে? আমাকে বলছে, আমি বেশ্যা। এরপরে আমাকে নিয়ে গেল শাহবাগ থানায়।
মরিয়ম বলেন, তখন মনে হয়েছে থানা আমার জন্য সেফ। কিন্তু থানায় যেয়ে মনে হল থানা আমার জন্য এটি সেকেন্ড জাহান্নাম। কিন্তু তারা (পুলিশ) যে আচরণ করেছে তা ভয়াবহ।
তিনি বলেন, তার ব্যাগে ছিল একটি পানির বোতল ও দুইটা মেকআপ বাক্স। অথচ পুলিশ আমার ব্যাগ থেকে বের করলো একটা ছুরি’ বলেন লাঞ্ছনার শিকার ওই শিক্ষার্থী।
মরিয়ম গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, 'অনেকখন ধরে একটা মেয়ে কনস্টবল আমার পাশে বসা। সে আমাকে বারবার ওই ছবিটা দেখানোর চেষ্টা করতেছে। আজকে আমি তাদেরকে (আন্দোলনকারীদের) বাঁচাতে গিয়েছি বলে আমার এই অপরাধগুলো হইছে? তারা আমাকে স্বীকার করাচ্ছে, কেন্দ্রীয় কমিটির অনেক গোপন খবর আমি জানি। তাদেরকে তা দিতে হবে! না হলে ফারুককে কেউ বাঁচাতে গেল না, আমি কেন গেলাম? একটা কুকুরকে এভাবে মারলেও তো মানুষ যায়, সেখানে একটা মানুষকে মারছে, আমি যাব না?'
তিনি বলেন, তারা বলল, আমি ইয়াবা খাই। আমাকে জোর করতেছে বলতে যে, আমি ইয়াবা খাই। আমি নেশা করি। আমি বললাম, আমার ব্যাগটা তারা নিয়ে গিয়েছিল। আমার ব্যাগে কিচ্ছু ছিল না, ছিল ওয়াটার পট আর দুটো মেকাপ। মানসিকভাবে টর্চার তো করেই যাচ্ছে, স্বীকার করানোর জন্য যে, আমি নেশা করি আর ওই জিনিসগুলো আমার।
মরিয়ম বলেন, 'আমাকে আর ছাড়ছে না , রাত ১১টা বাজে, ১২টা বাজে। রাত ১টার দিকে আমার বাসা থেকে লোক আসলো। আসার পরে বলল, এত রাতে একটা মেয়ে, ওকে ছেড়ে দেন। আমার দুলাভাই আবার পুলিশে চাকরি করে। সে ফোন দিয়েছিল। আমার সামনে তাকে বললো, আপনার শালী তো একটা বেয়াদব। আপনি পুলিশে চাকরি করেন বলে ছেড়ে দিলাম। ফোনটা রাখার পরে বলল, দুলাভাই যদি পুলিশ না হত। আজকে বেশ্যা বলে কোর্টে চালান করে দিতাম।

Source: rtvonline.com

Share:

Most Recent

মোট পৃষ্ঠাদর্শন

Blogger দ্বারা পরিচালিত.

লেবেল

HSC ICT Book

SSC ICT Book

Definition List